অনলাইনে জিডি চালু করছে সরকার-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

270

ঘরে বসে অনলাইনে থানায় জিডি করার সুবিধা চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এ সুবিধা চালুর শুরুতে অনলাইনে লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড জিডি করা যাবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে ‘ডিজিটাল কেইস ডায়েরি’ এর ওপর পর্যালোচনা সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বলেন,  প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও ময়মনসিংহের বাসিন্দারা এ পদ্ধতিতে জিডি করার সুবিধা পাবেন। সভায় অনলাইনে জিডি করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোনো কিছু হারিয়ে গেলে বা হুমকি পেলে পুলিশি সহায়তা পেতে স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানি বা দীর্ঘসূত্রতার শিকার না হন, সেজন্য অনলাইনে জিডি চালু করছে সরকার। পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজও অনলাইনে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। একজনকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ঢাকা ও ময়মনসিংহের পর পর্যায়ক্রমে সব ধরনের জিডি নেয়ার সুবিধা সারাদেশে চালু করা হবে।

সভায় নিরাপদ নগরী নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শুরুতে ঢাকা মহানগরকে, পরবর্তীতে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য সিটিকে এ প্রজেক্টের আওতায় আনা হবে। ঢাকা মহানগরে প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। সেফসিটির আওতায় সমস্ত রাস্তায় ক্যামেরা বসানো হবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও এর মধ্যে নিয়ে আনা হবে।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের ধারাবাহিকতায় দেশের সব কারাগারে মোবাইল ফোনে বন্দীদের স্বজনের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। স্বজনদের সঙ্গে বন্দীদের কথা বলার সুযোগ দেয়ায় সরাসরি সাক্ষাত প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। সে কারণে কারাগারগুলোতে বন্দীদের সাথে স্বজনদের মোবাইল ফোনের কথা বলার প্রজেক্ট চালু করতে যাচ্ছে সরকার। জরুরি সেবার ‘৯৯৯’ নম্বরের কার্যক্রমে আরও গতি আনতে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এছাড়া, স্বাধীনতার রজতজয়ন্তীর আগেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়ের সব কাজ ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হবে বলেন, আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৈঠকের শুরুতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বর চালু হওয়ার পর এ পর্যন্ত এক কোটি ৪২ লাখ কল রিসিভ হয়েছে।