বিশ্বনাথের চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে ওসমানীনগর থেকে গ্রেপ্তার

279

নিজস্ব প্রতিবেদক: শুক্রুবার (১৮ অক্টোবর) সিলেটের বিশ্বনাথ থানার চাঞ্চল্যকর একটি গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে ওসমানীনগর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীর নাম জাহাঙ্গীর আলম (৩৫)। সে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেঁতলি চেরাগী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১ টা ২০ মিনিটের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯ এএসপি সত্যজিৎ কুমার ঘোষ এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ওসমানীনগর থানার লামাপাড়া গ্রামের জনৈক আফরোজ আলীর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সিলেটের বিশ্বনাথ থানায় দন্ডবিধি ২০১ তৎসহ ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইন (সংশোধনী-২০০৩) এর ৯(৩)/৯ক ধারায় একটি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর আলমকে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার মো. মনিরুজ্জামান।

উল্লেখ্য, গত ৯ অক্টোবর সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা থানার তেতলী (চেরাগী) গ্রামস্থ বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে গণধর্ষনের শিকার হয়ে পরদিন আত্মহত্যা করেন সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার লালটেক গ্রামের হতদরিদ্র শুকুর আলীর মেয়ে পপি বেগম (২১)। গণধর্ষনের বিষয়টি তিনি কাউকে না জানালেও তার ভ্যানটি ব্যাগে পাওয়া একটি নোটের সূত্র ধরে আত্মহত্যার আসল রহস্য উন্মোচিত হয়। চিরকুট পাওয়ার পর পপির বড় বোনের স্বামী ফয়জুল ইসলামসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ও কয়েক জনকে অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিকে অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তার পিতা শুকুর আলী। পপির রেখে যাওয়া সুইসাইড নোট ও তার পিতার মামলা দায়ের করার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতায় গ্রেপ্তার হয় এজহারনামীয় দুই অভিযুক্ত আসামি। এর মধ্যে ১৫ অক্টোবর রাতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯) এর এএসপি সত্যজিৎ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী (চেরাগী) মৃত মতছির আলীর পুত্র জাহেদ হোসেন (২২) কে।