কানাডায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ১৬

263

কানাডার নোভাস্কশিয়ায় বন্দুকধারীর গুলিতে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। গত শনিবার দেশটির উত্তরাঞ্চলের নোভাস্কশিয়া প্রদেশের পোর্টেপিকে এ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালায় বন্দুকধারী। পরে ওই বন্দুকধারীও নিহত হয়েছেন।


গতকাল রোববার কর্তৃপক্ষ এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়। 
রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) জানায়, বন্ধুকধারী ৫১ বছর বয়সী গ্যাব্রিয়েল ওয়ার্টম্যান। তিনি দন্ত চিকিৎসার সরঞ্জাম তৈরির কাজ করতেন। গতকাল একটি গাড়িতে করে পুলিশের পোশাকে হামলা চালান বন্দুকধারী। গাড়িটি দেখতেও পুলিশের গাড়ির মতো ছিল।


আরসিএমপি এক ব্রিফিংয়ে জানায়, ওয়ার্টম্যান গাড়িতে চেপে নোভাস্কশিয়ার একাধিক জায়গায় গুলি ছোড়েন। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরসিএমপির এক প্রবীণ কর্মকর্তাও রয়েছেন। হতহত মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে। পরে ওই বন্দুকধারীইও নিহত হন। তবে তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন কি না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই ঘটনার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।


পুলিশ জানায়, বন্ধুকধারীর সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না।


নোভাস্কশিয়া ডেন্টিস্ট সোসাইটির ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্টম্যান হ্যালিফ্যাক্সের কাছে ডার্টমাউটে একটি ডেন্টাল ক্লিনিক পরিচালনা করতেন।

এর সঙ্গে করোনাভাইরাস মহামারির কোনো যোগসূত্র আছে কি না, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। মহামারির কারণে ছোট ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন।


কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, তাঁর সরকার নোভাস্কশিয়ান মানুষের পাশে আছে।


কানাডাতে এভাবে গুলি করে এত মানুষ হত্যার ঘটনা খুব বেশি ঘটেনি।দেশটির বন্দুক আইন যথেষ্ট কড়া। এর আগে ১৯৮৯ সালে কুইবেকে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুলি করে ১৫ জন নারীকে হত্যা করে এক বন্দুকধারী। ২০০৯ সালে আরেকটি ঘটনায় তিনজন নিহত হন।